জালিয়াতির ঘটনায় কানাইঘাটের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

প্রকাশিত: ৪:০১ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৭, ২০২০

জালিয়াতির ঘটনায় কানাইঘাটের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

কানাইঘাট প্রতিনিধিঃ কানাইঘাট সড়কের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আব্দুল লতিফের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে অবৈধভাবে ইনডেক্স পরিবর্তন করে সরকারি টাকা উত্তোলনের ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত ২৬ জুলাই এলাকাবাসীর পক্ষে স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী দর্পনগর পশ্চিম গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিনের পুত্র গোলাম মোস্তফা রাসেল, রামপুর গ্রামের পঞ্চম নমঃ, নাজিম উদ্দিন, দর্পনগর পশ্চিম গ্রামের জহির উদ্দিন ও সর্দারের মাটি গ্রামের গিয়াস উদ্দিন লিখিত ভাবে শিক্ষক আব্দুল লতিফের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা সিলেট অঞ্চলের উপ-পরিচালক বরাবরে এ অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয় ৩০/০৪/১৯৯২ইং তারিখে সড়কের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়ে আব্দুল লতিফ এমপিও ভূক্ত হন এবং তার এমপিও ভূক্তির ইনডেক্স নাম্বার ১৩৬৫২৪ ছিল। এরপর ৩০/০৪/১৯৯৯ইং তারিখে শিক্ষক আব্দুল লতিফ চাকুরি থেকে পদত্যাগ করে সিঙ্গাপুরে চলে যান এবং সেখানে ৭ বছর ছিলেন। সে সময় তার শূন্য পদে বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়। এরপর ০৭/০৯/২০০৬ইং তারিখে বিপরীতে সৃষ্ট পদে সহকারি শিক্ষক হিসেবে পুনরায় সড়কের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের নিয়োগপ্রাপ্ত হন শিক্ষক আব্দুল লতিফ। বিগত ০১/০৭/২০০৯ইং তারিখে প্রায় ১০ বছর পর আব্দুল লতিফের চাকুরি এমপিও ভূক্ত হয়, যার ইনডেক্স নাম্বার ১০৩৮৯৬৭। কিন্তু তিনি অবৈধভাবে জালজালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে দ্বিতীয় নিয়োগের ইনডেক্স পরিবর্তন করে তার পূর্বের নিয়োগের ইনডেক্স নাম্বার ১৩৬৫২৪ বহাল করে সরকারি অংশের টাকা উত্তোলন করে আসছেন। যা সম্পূর্ন অবৈধ ও নিয়োগ বর্হিভূত। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জেনেও এব্যাপারে কোন ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছেন না বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেখে শিক্ষক আব্দুল লতিফ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ এর পরিচালক পদে নির্বাচন করেন এবং নির্র্বাচনে জয় লাভ করেন, বর্তমানে তিনি উক্ত পদে বহালও রয়েছেন। পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির কার্যক্রমের সংশ্লিষ্ট থাকায় বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখা পড়ায় মারাত্মক বিঘœ ঘটছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে শিক্ষক আব্দুল লতিফের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য উপ-পরিচালকের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। তবে এ ব্যাপারে শিক্ষক আব্দুল লতিফের সাথে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

%d bloggers like this: