জগন্নাথপুরে ট্রলির নীচে চাপা পড়ে স্কুল শিক্ষার্থী নিহত

প্রকাশিত: ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ৯, ২০২২

জগন্নাথপুরে ট্রলির নীচে চাপা পড়ে স্কুল শিক্ষার্থী নিহত

 

হুমায়ূন কবীর ফরীদি, জগন্নাথপুর প্রতিনিধিঃ

 

 

জগন্নাথপুর এর পল্লীতে ট্রলির নীচে চাপা পড়ে স্কুল শিক্ষার্থী মোজাম্মিল(১০) নামক এক শিশু মৃত্যু বরন করেছে। পরিবারে শোকের মাতম।

পরিবার ও পুলিশ সুত্রে জানাযায়, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার জগদীশপুর গ্রাম নিবাসী আবুল কালাম এর ছেলে ট্রলি চালক আমীর হোসেন(২৫) হাওর থেকে মাটি ভর্তি ট্রলি নিয়ে জগদীশপুর নোয়াপাড়া গ্রাম নিবাসী বাবুল মিয়ার বসত ভিটায় মাটি ফেলার লক্ষে আজ ৯ ই জানুয়ারী রোজ রবিবার সকাল প্রায় ৯ ঘটিকার সময় গ্রামীণ রাস্তা দিয়ে প্রবেশ কালে জগদীশ নোয়াপাড়া গ্রাম নিবাসী কশায়েদ মিয়ার ছেলে স্থানীয় বিদ্যালয় এর পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র মোজাম্মিল মিয়া(১০) হঠাৎ দৌড়ে এসে ট্রলির নীচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলে মৃত্যু বরন করেছে। পরিবারে শোকের মাতম চলছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে কলকলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হাসিম ও মেম্বার মোঃ মোজাফফর আলী লিটন ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি থানা পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে নিহত শিশুর পিতা, উপস্থিত জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মতামতের ভিত্তিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন কলকলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হাসিম, ৩ নং ওয়ার্ড এর মেম্বার মোঃ মোজাফফর আলী লিটন ও একই ওয়ার্ড এর নবনির্বাচিত মেম্বার আজিজুল হক, ২ নং ওয়ার্ড এর মেম্বার লিয়াকত হোসেন অমৃত ও একই ওয়ার্ড এর নবনির্বাচিত মেম্বার মাহবুবুল হাসান মোহন,বিশিষ্ট সালিশি ব্যাক্তি আলী আসকর, আজাদ মিয়া তালুকদার, জগদীশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বাপ্পী রঞ্জন দে, লোকমান হোসেন, আলী নূর, খসরু মিয়া,ফাহিম আহমদ, নিহত শিশু মোজাম্মিল মিয়া (১০) এর পিতা কশায়েদ মিয়া ও পরিবারের লোকজন সহ এলাকার শতাধিক জনসাধারণ।

এ ব্যাপারে নিহত শিশু মোজাম্মিল মিয়ার পিতা কশায়েদ মিয়া কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমার কোমলমতি ছেলে অসাবধানতা দৌড়ে গিয়ে মাটি ভর্তি ট্রলি গাড়ীর নীচে চাপা পড়ে মৃত্যু বরন করেছে। এর জন্য কেউ দায়ী নয়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ট্রলি চালক আমার আপন শালীর ছেলে সে জেনে আমার ছেলেকে মারেনি। এটা একটা দুর্ঘটনা। কারো উপর আমার অভিযোগ নেই। আমি মামলা-মোকদ্দমায় যাবনা।

এব্যাপারে ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী জগন্নাথপুর থানার এসআই শফিক বলেন, লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করেছি। নিহত শিশুর পিতা কশায়েদ মিয়া ও পরিবারের বর্গের কোনো ধরনের অভিযোগ না থাকায় জনপ্রতিনিধি, এলাকাবাসী নিহতের পরিবারের মতামতের ভিত্তিতে ও প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন এর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 

হাবিবা আক্তার ///

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

%d bloggers like this: